বোরহান আনিস, নগরকান্দা প্রতিনিধি, ৮ এপ্রিলঃ
ফরিদপুরের নগরকান্দায় খুচরা পয়ষা নিয়ে বিপাকে পড়েছে ব্যাবসায়ীসহ ক্রেতা সাধারণ। দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলায় ১,২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের কয়েন ক্রেতা-বিক্রেতারা নিতে অনিহা প্রকাশ করায় নানান সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। কয়েন নিতে অস্বীকার করায় অনেক সময় ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে বাক-বিতন্ডা এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। সরকারী ভাবে মুদ্রা বন্ধের কোন ঘোষনা না থাকলেও সর্বসাধারনের মাঝে মুদ্রা বন্ধের কথা ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক ব্যাবসায়ীর নিকট হাজার হাজার টাকার কয়েন মুদ্রা জমা পড়েছে । ফলে ঐ কয়েন মুদ্রা দিয়ে লেনদেন করতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তারা।
নগরকান্দা বাজারের ব্যাবসায়ী কামরুল জানান তার নিকট খুচরা কয়েন জমা আছে ১৪ হাজার টাকা। আরেক ব্যাবসায়ী চন্দন ভৌমিক জানান তার নিকট ১৫ হাজার টাকার কয়েন জমা হয়েছে। এই কয়েন কোথাও চালাতে পারছেননা। শুধু কামরুল, চন্দন নয় এরকম অনেক ব্যাবসায়ীর নিকট হাজার হাজার টাকার কয়েন জমা পড়েছে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে এক ব্যবসায়ী বলেন, সোনালী ব্যাংক নগরকান্দা শাখায় কিছু কয়েন নিয়ে গিয়েছিলাম ম্যানেজার সাব জানিয়ে দিয়েছেন ঐসব কয়েন নিয়া যাবেনা। এ ব্যাপারে ব্যাংকের ম্যানেজার খায়রুল হাসান জানান, খুচরা কয়েন গননার কোন মেশিন আমাদের নিকট না থাকায় এইসব কয়েন নিতে নানান সমস্যা সৃষ্টি হয়। এই সমস্যা সমাধানে ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। #
ফরিদপুর, ৮ এপ্রিল, ২০১৫।
ফরিদপুরের নগরকান্দায় খুচরা পয়ষা নিয়ে বিপাকে পড়েছে ব্যাবসায়ীসহ ক্রেতা সাধারণ। দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলায় ১,২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের কয়েন ক্রেতা-বিক্রেতারা নিতে অনিহা প্রকাশ করায় নানান সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। কয়েন নিতে অস্বীকার করায় অনেক সময় ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে বাক-বিতন্ডা এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। সরকারী ভাবে মুদ্রা বন্ধের কোন ঘোষনা না থাকলেও সর্বসাধারনের মাঝে মুদ্রা বন্ধের কথা ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক ব্যাবসায়ীর নিকট হাজার হাজার টাকার কয়েন মুদ্রা জমা পড়েছে । ফলে ঐ কয়েন মুদ্রা দিয়ে লেনদেন করতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তারা।
নগরকান্দা বাজারের ব্যাবসায়ী কামরুল জানান তার নিকট খুচরা কয়েন জমা আছে ১৪ হাজার টাকা। আরেক ব্যাবসায়ী চন্দন ভৌমিক জানান তার নিকট ১৫ হাজার টাকার কয়েন জমা হয়েছে। এই কয়েন কোথাও চালাতে পারছেননা। শুধু কামরুল, চন্দন নয় এরকম অনেক ব্যাবসায়ীর নিকট হাজার হাজার টাকার কয়েন জমা পড়েছে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে এক ব্যবসায়ী বলেন, সোনালী ব্যাংক নগরকান্দা শাখায় কিছু কয়েন নিয়ে গিয়েছিলাম ম্যানেজার সাব জানিয়ে দিয়েছেন ঐসব কয়েন নিয়া যাবেনা। এ ব্যাপারে ব্যাংকের ম্যানেজার খায়রুল হাসান জানান, খুচরা কয়েন গননার কোন মেশিন আমাদের নিকট না থাকায় এইসব কয়েন নিতে নানান সমস্যা সৃষ্টি হয়। এই সমস্যা সমাধানে ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। #
ফরিদপুর, ৮ এপ্রিল, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment