নিউজ টুডে ফরিদপুর, ২৪ এপ্রিল
ফরিদপুরের আওয়ামীলীগ নেতা মোকাররম মিয়া বাবুকে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদাবাজি মামলায় ঢাকায় গ্রেপ্তার হন ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের বিতর্কিত এই নেতা। সোয়া নয়টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোড এলাকা থেকে রমনা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতয়ালী থানার এসআই মাসুদ রানা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় মোকাররম মিয়া বাবুর ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে ফরিদপুরের মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে হাজির করা হলে আদালত আগামী রবিবার রিমান্ড শুনানীর দিন ধার্য্য করেছেন। এর আগে শুক্রবার দুপুরে মোকাররম মিয়া বাবুকে ঢাকা থেকে ফরিদপুর কোতায়ালী থানায় নেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় ৪টি চাঁদাবাজী ও একটি ধর্ষনের মামলা করা হয়েছে।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোহসিনুল হক বলেন, ‘বৃহস্পতিবার মোকাররম বাবুকে গ্রেপ্তার করে রমনা থানা পুলিশ। শুক্রবার ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পুলিশ তাকে ঢাকা থেকে দুপুরে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় নিয়ে আসে।
বাবুর বিরুদ্ধে গত রবিবার রাতে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা করেন ফরিদপুর শহর যুবলীগের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বরকত। তার পর থেকে এ পর্যন্ত মোকাররম মিয়া বাবুর বিরুদ্ধে আরো চারটি মামলা হয়েছে। সেগুলো হলো জেলা শ্রমিক লীগের অর্থ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের দায়ের করা শহরের স্বর্ণকমল মার্কেট নির্মাণ সংক্রান্ত ৫ লাখ টাকার চাঁদাবাজী মামলা, শহরতলীর মাচ্চরের আওয়ামীলীগ নেতা সরোয়ার হোসেন সন্টুর বিদেশে লোক পাঠানো সংক্রান্ত ১৫ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজীর মামলা, শহরের আলীপুরের যুবলীগ নেতা শফিউল আলমকে চাঁদা চেয়ে হুমকি দিয়ে এক লাখ টাকার চাঁদাবাজীর মামলা এবং শহরতলীর কৈজুরী ইউনিয়নের ডোমরাকান্দি এলাকার ফরিদা বেগমের দায়ের করা ধর্ষণের মামলা। #
ফরিদপুর, ২৪ এপ্রিল, ২০১৫।
ফরিদপুরের আওয়ামীলীগ নেতা মোকাররম মিয়া বাবুকে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদাবাজি মামলায় ঢাকায় গ্রেপ্তার হন ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের বিতর্কিত এই নেতা। সোয়া নয়টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোড এলাকা থেকে রমনা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতয়ালী থানার এসআই মাসুদ রানা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় মোকাররম মিয়া বাবুর ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে ফরিদপুরের মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে হাজির করা হলে আদালত আগামী রবিবার রিমান্ড শুনানীর দিন ধার্য্য করেছেন। এর আগে শুক্রবার দুপুরে মোকাররম মিয়া বাবুকে ঢাকা থেকে ফরিদপুর কোতায়ালী থানায় নেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় ৪টি চাঁদাবাজী ও একটি ধর্ষনের মামলা করা হয়েছে।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোহসিনুল হক বলেন, ‘বৃহস্পতিবার মোকাররম বাবুকে গ্রেপ্তার করে রমনা থানা পুলিশ। শুক্রবার ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পুলিশ তাকে ঢাকা থেকে দুপুরে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় নিয়ে আসে।
বাবুর বিরুদ্ধে গত রবিবার রাতে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা করেন ফরিদপুর শহর যুবলীগের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বরকত। তার পর থেকে এ পর্যন্ত মোকাররম মিয়া বাবুর বিরুদ্ধে আরো চারটি মামলা হয়েছে। সেগুলো হলো জেলা শ্রমিক লীগের অর্থ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের দায়ের করা শহরের স্বর্ণকমল মার্কেট নির্মাণ সংক্রান্ত ৫ লাখ টাকার চাঁদাবাজী মামলা, শহরতলীর মাচ্চরের আওয়ামীলীগ নেতা সরোয়ার হোসেন সন্টুর বিদেশে লোক পাঠানো সংক্রান্ত ১৫ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজীর মামলা, শহরের আলীপুরের যুবলীগ নেতা শফিউল আলমকে চাঁদা চেয়ে হুমকি দিয়ে এক লাখ টাকার চাঁদাবাজীর মামলা এবং শহরতলীর কৈজুরী ইউনিয়নের ডোমরাকান্দি এলাকার ফরিদা বেগমের দায়ের করা ধর্ষণের মামলা। #
ফরিদপুর, ২৪ এপ্রিল, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment