মাহবুব হোসেন পিয়ালঃ
লাল টুকটুকে কৃষ্ণচূড়ার ফুল। রঙিন করে তুলেছে প্রকৃতি। স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে গরম এসেছে। কৃষ্ণচূড়া গ্রীষ্মের অতি পরিচিত ফুল। বাঙালির কবিতা, সাহিত্য, গান ও বিভিন্ন উপমায় কৃষ্ণচূড়া ফুলের কথা নানা ভঙ্গিমায় এসেছে। এখনো শোভা বর্ধনকারী এ বৃক্ষটি ফরিদপুর শহরসহ জেলার বিভিন্ন গ্রামের পথে প্রান্তরে দেখা মেলে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও কৃষ্ণচূড়া নড়বড়ে অস্তিত্ব নিয়ে কোনোক্রমে টিকে আছে। কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস পূর্ব আফ্রিকার মাদাগাস্কার। ভীনদেশি এ ফুলের বৃক্ষগুলো আমাদের দেশে এসে নতুন নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। ধারণা করা হয় রাধা ও কৃষ্ণের নাম মিলিয়ে এ বৃক্ষের নাম হয়েছে কৃষ্ণচূড়া।
এর বড় খ্যাতি হলো গ্রীষ্মে যখন এই ফুল ফোটে এর রুপে মুগ্ধ হয়ে পথচারীরাও থমকে তাকাতে বাধ্য হন। কৃষ্ণচূড়া গাছ উচ্চতায় খুব বেশি হয়না। সর্বোচ্চ ১২ মিটার পর্যন্ত। তবে এর শাখা পল্লব অনেক দূর পর্যন্ত ছড়ানো থাকে। বছরের অন্য সময় গাছগুলো চোখে খুব একটা পড়েনা। এপ্রিলে প্রকৃতির সবুজ পেছনে ফেলে মানুষের দৃষ্টিতে আসে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এই ফুল। তখন আর খুঁজে নিতে হয়না। পথচারীদের সহজেই চোখে পড়ে কৃষ্ণচূড়ার লাল টুকটুকে ফুল। বহুদূর থেকে দেখলে মনে হয় ওই দূরে আগুন লেগেছে। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম ফুলে প্রকৃতি সেজেছে অপরুপ সাজে। উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের মতে, এই ফুল বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে ফোটে থাকে। বাংলাদেশে এই কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত। প্রথম মুকুল ধরার কিছুদিনের মধ্যেই পুরো গাছ ফুলে ফুলে ভরে যায়। ফুলের প্রধান বৈশিষ্ট হলো উজ্জ্বল রং। তরুরাজ্যে এত উজ্জ্বল রং সত্যি দুর্লভ। ফুলের পাপড়ির রং গাঢ় লাল, লাল, কমলা, হলুদ, হালকা হলুদ হয়ে থাখে। ফুলের ভেতরের অংশও রক্তিম। কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো বড় চারটি পাপড়িযুক্ত। কৃষ্ণচূড়ার ফুলের বর্ণনা লেখায় দেয়া সম্ভব নয়। সত্যিকার সৌন্দর্য কৃষ্ণচূড়ার ফুলের কাছে গেলে কিছুটা হলেও উপলব্ধি করা সম্ভব। ফরিদপুর শহরের স্বাধীনতা চত্ত্বর, সরকারী রাজেন্দ্র কলেজ, জেলা প্রসাশকের বাস ভবন, শহরের মুজিব সড়কের কয়েকটি জায়গায়, ঈদ গা মাঠে, জেলা স্কুল, অফিসার্স ক্লাব, জেলখানা, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কার্যালয়, রেল লাইন প্রভৃতি স্থানে রক্তিম কৃষ্ণচূড়ার ফুল পথচারীদের মন ভুলিয়ে ও চোখ জুড়িয়ে যায়।
নিউজ টুডে ফরিদপুর, ১০ মে, ২০১৫।
লাল টুকটুকে কৃষ্ণচূড়ার ফুল। রঙিন করে তুলেছে প্রকৃতি। স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে গরম এসেছে। কৃষ্ণচূড়া গ্রীষ্মের অতি পরিচিত ফুল। বাঙালির কবিতা, সাহিত্য, গান ও বিভিন্ন উপমায় কৃষ্ণচূড়া ফুলের কথা নানা ভঙ্গিমায় এসেছে। এখনো শোভা বর্ধনকারী এ বৃক্ষটি ফরিদপুর শহরসহ জেলার বিভিন্ন গ্রামের পথে প্রান্তরে দেখা মেলে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও কৃষ্ণচূড়া নড়বড়ে অস্তিত্ব নিয়ে কোনোক্রমে টিকে আছে। কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস পূর্ব আফ্রিকার মাদাগাস্কার। ভীনদেশি এ ফুলের বৃক্ষগুলো আমাদের দেশে এসে নতুন নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। ধারণা করা হয় রাধা ও কৃষ্ণের নাম মিলিয়ে এ বৃক্ষের নাম হয়েছে কৃষ্ণচূড়া।
এর বড় খ্যাতি হলো গ্রীষ্মে যখন এই ফুল ফোটে এর রুপে মুগ্ধ হয়ে পথচারীরাও থমকে তাকাতে বাধ্য হন। কৃষ্ণচূড়া গাছ উচ্চতায় খুব বেশি হয়না। সর্বোচ্চ ১২ মিটার পর্যন্ত। তবে এর শাখা পল্লব অনেক দূর পর্যন্ত ছড়ানো থাকে। বছরের অন্য সময় গাছগুলো চোখে খুব একটা পড়েনা। এপ্রিলে প্রকৃতির সবুজ পেছনে ফেলে মানুষের দৃষ্টিতে আসে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এই ফুল। তখন আর খুঁজে নিতে হয়না। পথচারীদের সহজেই চোখে পড়ে কৃষ্ণচূড়ার লাল টুকটুকে ফুল। বহুদূর থেকে দেখলে মনে হয় ওই দূরে আগুন লেগেছে। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম ফুলে প্রকৃতি সেজেছে অপরুপ সাজে। উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের মতে, এই ফুল বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে ফোটে থাকে। বাংলাদেশে এই কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত। প্রথম মুকুল ধরার কিছুদিনের মধ্যেই পুরো গাছ ফুলে ফুলে ভরে যায়। ফুলের প্রধান বৈশিষ্ট হলো উজ্জ্বল রং। তরুরাজ্যে এত উজ্জ্বল রং সত্যি দুর্লভ। ফুলের পাপড়ির রং গাঢ় লাল, লাল, কমলা, হলুদ, হালকা হলুদ হয়ে থাখে। ফুলের ভেতরের অংশও রক্তিম। কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো বড় চারটি পাপড়িযুক্ত। কৃষ্ণচূড়ার ফুলের বর্ণনা লেখায় দেয়া সম্ভব নয়। সত্যিকার সৌন্দর্য কৃষ্ণচূড়ার ফুলের কাছে গেলে কিছুটা হলেও উপলব্ধি করা সম্ভব। ফরিদপুর শহরের স্বাধীনতা চত্ত্বর, সরকারী রাজেন্দ্র কলেজ, জেলা প্রসাশকের বাস ভবন, শহরের মুজিব সড়কের কয়েকটি জায়গায়, ঈদ গা মাঠে, জেলা স্কুল, অফিসার্স ক্লাব, জেলখানা, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কার্যালয়, রেল লাইন প্রভৃতি স্থানে রক্তিম কৃষ্ণচূড়ার ফুল পথচারীদের মন ভুলিয়ে ও চোখ জুড়িয়ে যায়।
নিউজ টুডে ফরিদপুর, ১০ মে, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment