সালথা প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের পুরাগুদী গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মারাত্মক আহত হারুন মীর (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ শনিবার গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত্যু সৈয়দ আলী মীরের ছেলে। এদিকে হারুন মীর মারা যাওয়ার পর প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।
জানা গেছে, গত ২৫ মার্চ শুক্রবার সকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুরাগুদী গ্রামে আফছার মীর পক্ষের সাথে হারুন মীরের পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে মারাত্বক আহত হারুন মীর ও তার তিন ছেলে হাবিব মীর, রফিক মীর এবং রজিব মীরকে প্রথমে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার গভীর রাতে হারুন মীর মারা যায়।
এদিকে হারুন মীর এর মৃত্যুর খাবর এলাকায় পৌছালে তার পক্ষের উত্তেজিত লোকজন প্রতিপক্ষের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে অন্তত ১৫টি বসতঘর ভাংচুর করে এবং ঘরের মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশের একটি টিম এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
সালথা থানার উপ-পরিদর্শক ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, রোববার সকাল ১০ টায় নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। #
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের পুরাগুদী গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মারাত্মক আহত হারুন মীর (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ শনিবার গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত্যু সৈয়দ আলী মীরের ছেলে। এদিকে হারুন মীর মারা যাওয়ার পর প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।
জানা গেছে, গত ২৫ মার্চ শুক্রবার সকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুরাগুদী গ্রামে আফছার মীর পক্ষের সাথে হারুন মীরের পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে মারাত্বক আহত হারুন মীর ও তার তিন ছেলে হাবিব মীর, রফিক মীর এবং রজিব মীরকে প্রথমে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার গভীর রাতে হারুন মীর মারা যায়।
এদিকে হারুন মীর এর মৃত্যুর খাবর এলাকায় পৌছালে তার পক্ষের উত্তেজিত লোকজন প্রতিপক্ষের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে অন্তত ১৫টি বসতঘর ভাংচুর করে এবং ঘরের মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশের একটি টিম এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
সালথা থানার উপ-পরিদর্শক ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, রোববার সকাল ১০ টায় নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। #
No comments:
Post a Comment