নুরুল ইসলাম, সালথা থেকে
ফরিদপুরের সালথায় বিদ্যালয়ের পাঠ দান বন্ধ রেখে চিকিৎসা(!) দেয়ার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বানিজ্যিক প্রচারন হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের ৬০ নং দক্ষিন গোপিনাথপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমেনা পারভিন, রাশিদা নাসরিন ও লাভলি খানম নামে ৩ জন শিক্ষিকা ছাড়া স্কুলে কোন শিক্ষার্থী নেই । একটি শ্রেণী কক্ষের ভিতর শিক্ষকের চেয়ারে বসে আলমগীর হুসাইন নামে এক ব্যাক্তি রোগী দেখছেন। জিজ্ঞাস করে জানা গেল উনি চোখের ডাক্তার। ওই কক্ষের দরজার সামনে বসে এক ব্যক্তি রোগীদের টিকিট দিচ্ছেন। এর এজন্য প্রতিজনের কাছ থেকে নিচ্ছেন ২০ টাকা।
কিন্তু এই চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র দেখে অনেকটা অবাক হতে হল। কারন সেখানে আগে থেকেই সকল চোখেন ড্রপ ও মলমের নাম ছাপিয়ে রাখা হয়েছে। তাহলে ডাক্তার লিখবেন কি ? বিষয়টি দেখে স্থানীয় কয়েকজন কথিত ওই চিকিৎসকের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন।
ক্লাস বন্ধ রেখে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রচারণায় বিদ্যালয় ব্যবহার করতে দেয়া প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা আমেনা পারভিন বলেন, লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের ২ জন লোক এসে আমাদেরকে বলেছিল তারা উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে এসেছে। তাই আমরা তাদের একটি কক্ষ ব্যবহার করতে দিয়েছি।
বিদ্যালয়ে রোগী দেখতে থাকা কথিত ডাক্তার আলমগীর এই প্রতিবেদককে বলেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আমার বন্ধু। তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই আমরা কক্ষ ব্যবহার করছি। কিভাবে চিকিৎসা দিচ্ছেন রোগীদের এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর বলেন, ‘রোগী দেখার ফি বাবদ প্রত্যেক রোগীর কাছ থেকে ২০ টাকা নেয়া হচ্ছে। পরিক্ষায় যদি কারও চোখে সমস্যা ধরা পড়ে তাহলে তাকে চশমা দেওয়া হচ্ছে। এর বিনিময়ে জনপ্রতি রোগির কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে ৩ শত টাকা।’
তবে অনুমতি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবু আহাদ মিয়া বলেন, এব্যাপারে আমাকে কেউ কিছু বলেনি। ঘটনার সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ক্লাস বন্ধ করে শ্রেণী কক্ষের ভিতর এধরনের কর্মকান্ডে অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। #
ফরিদপুর, ১০ মার্চ, ২০১৫।
ফরিদপুরের সালথায় বিদ্যালয়ের পাঠ দান বন্ধ রেখে চিকিৎসা(!) দেয়ার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বানিজ্যিক প্রচারন হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের ৬০ নং দক্ষিন গোপিনাথপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমেনা পারভিন, রাশিদা নাসরিন ও লাভলি খানম নামে ৩ জন শিক্ষিকা ছাড়া স্কুলে কোন শিক্ষার্থী নেই । একটি শ্রেণী কক্ষের ভিতর শিক্ষকের চেয়ারে বসে আলমগীর হুসাইন নামে এক ব্যাক্তি রোগী দেখছেন। জিজ্ঞাস করে জানা গেল উনি চোখের ডাক্তার। ওই কক্ষের দরজার সামনে বসে এক ব্যক্তি রোগীদের টিকিট দিচ্ছেন। এর এজন্য প্রতিজনের কাছ থেকে নিচ্ছেন ২০ টাকা।
কিন্তু এই চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র দেখে অনেকটা অবাক হতে হল। কারন সেখানে আগে থেকেই সকল চোখেন ড্রপ ও মলমের নাম ছাপিয়ে রাখা হয়েছে। তাহলে ডাক্তার লিখবেন কি ? বিষয়টি দেখে স্থানীয় কয়েকজন কথিত ওই চিকিৎসকের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন।
ক্লাস বন্ধ রেখে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রচারণায় বিদ্যালয় ব্যবহার করতে দেয়া প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা আমেনা পারভিন বলেন, লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের ২ জন লোক এসে আমাদেরকে বলেছিল তারা উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে এসেছে। তাই আমরা তাদের একটি কক্ষ ব্যবহার করতে দিয়েছি।
বিদ্যালয়ে রোগী দেখতে থাকা কথিত ডাক্তার আলমগীর এই প্রতিবেদককে বলেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আমার বন্ধু। তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই আমরা কক্ষ ব্যবহার করছি। কিভাবে চিকিৎসা দিচ্ছেন রোগীদের এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর বলেন, ‘রোগী দেখার ফি বাবদ প্রত্যেক রোগীর কাছ থেকে ২০ টাকা নেয়া হচ্ছে। পরিক্ষায় যদি কারও চোখে সমস্যা ধরা পড়ে তাহলে তাকে চশমা দেওয়া হচ্ছে। এর বিনিময়ে জনপ্রতি রোগির কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে ৩ শত টাকা।’
তবে অনুমতি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবু আহাদ মিয়া বলেন, এব্যাপারে আমাকে কেউ কিছু বলেনি। ঘটনার সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ক্লাস বন্ধ করে শ্রেণী কক্ষের ভিতর এধরনের কর্মকান্ডে অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। #
ফরিদপুর, ১০ মার্চ, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment