ফরিদপুরে তিন তলার ছাদ থেকে ছাত্রকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বিকার ওই শিক্ষকের। - NEWS TODAY FARIDPUR

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Saturday, March 21, 2015

ফরিদপুরে তিন তলার ছাদ থেকে ছাত্রকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বিকার ওই শিক্ষকের।

নুরুল ইসলাম নাহিদ, সালথা থেকে, ২১ মার্চ
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্র মোঃ সোহাগ মোল্যাকে (২০) কলেজের তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই কলেজের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। যদিও ওই শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ওই শিক্ষকের নাম কাজী ফিরোজ আহমেদ। সে ওই কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। সোহাগ সালথা উপজেলার গুপিনাথপুর গ্রামের রুস্তম মোল্লার ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ছাত্রকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ওই ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোহাগ জানায়, ভালবাসার সুত্র ধরে কলেজের তিনতলা ভবনের চিলেকোঠায় বসে ওই শিক্ষকের মেয়ে একই কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী’র সাথে গল্প করার সময় ওই শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চর থাপ্পড় মেরে ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়।
গুরুতর আহতাবস্থায় স্থানীয়রা এবং তার সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। মেডিকেলের ট্রমা সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তাসফিয়া আহমেদ তৃষা জানান, সোহাগের হাত ভেঙ্গে গেছে এবং কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ফ্যাক্সার হয়েছে। তিনি জানান, সোহাগ এখনো শংকামুক্ত নন।
ওই কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানায় এঘটনায় পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সোহাগের সহপাঠি মোঃ শিপন জানান, ভালবাসার সুত্র ধরেই তারা গল্প করছিল। সোহাগের মা জানিয়েছে, তার ছেলে অপরাধ করলে তার বিচার করতো। ছাদ থেকে ফেলে দিবে কেন, আমার ছেলেটা মারাও যেতে পারত। আমি এর বিচার চাই।
অপরদিকে শিক্ষক মোঃ ফিরোজ আহমেদ বিষয়টি অস্কিকার করে বলেন, তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়ার কোন ঘটনা ঘটেনি। ছেলেটি আমাকে দেখে ভয় পেয়ে পালাতে গিয়ে ছাদ থেকে নিজেই পড়ে যায়। #

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages