সালথা সংবাদদাতা, ৬ মার্চ।
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের বাউষখালী গ্রামে গত বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত রুকু শেখ (৩০) নামে আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। রুকু শেখ বাউষখালী গ্রামের মৃতু ইজারদ্দীন শেখের ছেলে। এর আগে একই সংঘর্ষে জবেদ আলী (৫০) এক কৃষক নিহত হয়েছিলেন। নিহত দু-জনই আপন চাচাতো ভাই ও একই গ্রুপের সমর্থক।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ডি এম বেলায়েত হোসেন রুকু শেখের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এর আগে জবেদ আলী নিহতের ঘটনায় তার ভাই আবেদ আলী বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
উল্লেখ্য, বাউষখালী গ্রামের জবেদ আলী’র সাথে তার চাচাতো ভাই জলিল শেখ ও খলিল শেখের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই সুত্র ধরে বৃহস্পতিবার সকালে জবেদ আলী’র সাথে খলিলের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায় উভয় গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত জবেদ আলীকে মুকসুদপুর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ছাড়া উভয় গ্রুপের ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে রুকু শেখের অবস্থা আশংকাজনক হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়। #
ফরিদপুর, ৬ মার্চ, ২০১৫।
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের বাউষখালী গ্রামে গত বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত রুকু শেখ (৩০) নামে আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। রুকু শেখ বাউষখালী গ্রামের মৃতু ইজারদ্দীন শেখের ছেলে। এর আগে একই সংঘর্ষে জবেদ আলী (৫০) এক কৃষক নিহত হয়েছিলেন। নিহত দু-জনই আপন চাচাতো ভাই ও একই গ্রুপের সমর্থক।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ডি এম বেলায়েত হোসেন রুকু শেখের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এর আগে জবেদ আলী নিহতের ঘটনায় তার ভাই আবেদ আলী বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
উল্লেখ্য, বাউষখালী গ্রামের জবেদ আলী’র সাথে তার চাচাতো ভাই জলিল শেখ ও খলিল শেখের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই সুত্র ধরে বৃহস্পতিবার সকালে জবেদ আলী’র সাথে খলিলের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায় উভয় গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত জবেদ আলীকে মুকসুদপুর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ছাড়া উভয় গ্রুপের ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে রুকু শেখের অবস্থা আশংকাজনক হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়। #
ফরিদপুর, ৬ মার্চ, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment