মোঃ রমজান সিকদার, ভাঙ্গা প্রতিনিধি
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের সোলাপুর গ্রামে হাসমত আলীর বাড়ীতে চক্রান্তকারীদের দেওয়া আগুনে ৪টি বসত ঘর পোড়ানোর ঘটনায় থানায় মামলা হয়। মামলার পর থেকেই এজাহার ভুক্ত আসামীরা বাদী হাসমত আলীকে হুমকি দিয়ে আসছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য এমনটা অভিযোগ করেছেন তিনি। আসামীদের ভয়ে এখন অনেকটা পালিয়ে বেরাচ্ছেন হাসমত। অন্যদিকে এজাহারভুক্ত আসামীদের বাদ দিয়ে আদালতে চার্জশীট দিয়েছে পুলিশ, অভিযোগ বাদী পক্ষের।
তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন জানিয়েছেন, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর গভীর রাতে হাসমতের বাড়ীতে আগুন লাগে। সে সময় ৪টি বসত ঘর সহ বেশ কিছু মালামাল আগুনে পুড়ে যায়। এরপর ২৭ ডিসেম্বর সে বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে আসামীদের কোন সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে ৪ মাস আগের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া বসত ঘরগুলো অর্থাভাবে তুলতে পারেনি হাসমত আলী। বৃদ্ধ মাতা নুরজাহান(৬৫) পাশেই একটি ছাপড়া ঘর তুলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তিনি জানান, পাশের বাড়ীর জাহাঙ্গির, সোহেল আলমাস, ইলিয়াচ ও নুর মোহাম্মদ প্রকাশ্য দিনের বেলায় আমার ঘরে আগুন দেওয়া জন্য আসে। সে সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য আতাউর রহমান এসে তাদের বাধা দেয়। সেই রাতেই আমাদের ঘরে আগুন দিয়ে চক্রান্ত কারীরা পালিয়ে যায়।
এলাকার মাতুব্বর বকুল তালুকদার জানায়, সবাই জানে কারা আগুন দিয়েছে।অথচ চার্জশীটে তাদের নাম নাই। গরীব অসহায় মানুষ ওরা আইনের সহায়তা তো দূরে থাক উল্টো আসামীদের ভয়ে সবাই পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
মামলার বাদী হাসমত আলী বলেন, এলাকায় দলাদলি থাকার দরুন আমরা নির্যাতিত হয়েছি। আমার সারা জীবনের সঞ্চিত সম্পদ ওরা পুড়িয়ে দিয়েছে। আমি আইনের সাহায্য নিয়েও এখন বিপাকে আছি। বিষয়টি সুষ্ঠ সমাধানের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাহায্য কামনা করেন তিনি। #
ফরিদপুর, ২৮ এপ্রিল, ২০১৫।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের সোলাপুর গ্রামে হাসমত আলীর বাড়ীতে চক্রান্তকারীদের দেওয়া আগুনে ৪টি বসত ঘর পোড়ানোর ঘটনায় থানায় মামলা হয়। মামলার পর থেকেই এজাহার ভুক্ত আসামীরা বাদী হাসমত আলীকে হুমকি দিয়ে আসছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য এমনটা অভিযোগ করেছেন তিনি। আসামীদের ভয়ে এখন অনেকটা পালিয়ে বেরাচ্ছেন হাসমত। অন্যদিকে এজাহারভুক্ত আসামীদের বাদ দিয়ে আদালতে চার্জশীট দিয়েছে পুলিশ, অভিযোগ বাদী পক্ষের।
তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন জানিয়েছেন, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর গভীর রাতে হাসমতের বাড়ীতে আগুন লাগে। সে সময় ৪টি বসত ঘর সহ বেশ কিছু মালামাল আগুনে পুড়ে যায়। এরপর ২৭ ডিসেম্বর সে বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে আসামীদের কোন সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে ৪ মাস আগের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া বসত ঘরগুলো অর্থাভাবে তুলতে পারেনি হাসমত আলী। বৃদ্ধ মাতা নুরজাহান(৬৫) পাশেই একটি ছাপড়া ঘর তুলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তিনি জানান, পাশের বাড়ীর জাহাঙ্গির, সোহেল আলমাস, ইলিয়াচ ও নুর মোহাম্মদ প্রকাশ্য দিনের বেলায় আমার ঘরে আগুন দেওয়া জন্য আসে। সে সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য আতাউর রহমান এসে তাদের বাধা দেয়। সেই রাতেই আমাদের ঘরে আগুন দিয়ে চক্রান্ত কারীরা পালিয়ে যায়।
এলাকার মাতুব্বর বকুল তালুকদার জানায়, সবাই জানে কারা আগুন দিয়েছে।অথচ চার্জশীটে তাদের নাম নাই। গরীব অসহায় মানুষ ওরা আইনের সহায়তা তো দূরে থাক উল্টো আসামীদের ভয়ে সবাই পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
মামলার বাদী হাসমত আলী বলেন, এলাকায় দলাদলি থাকার দরুন আমরা নির্যাতিত হয়েছি। আমার সারা জীবনের সঞ্চিত সম্পদ ওরা পুড়িয়ে দিয়েছে। আমি আইনের সাহায্য নিয়েও এখন বিপাকে আছি। বিষয়টি সুষ্ঠ সমাধানের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাহায্য কামনা করেন তিনি। #
ফরিদপুর, ২৮ এপ্রিল, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment