নিউজ টুডে ফরিদপুর, ৮ এপ্রিল
ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুরে ভুয়া সাংবাদিক আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনগন। দৈনিক সরেজমিন পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয়দানকারীর রাজিব পোদ্দার(২৪) গত মঙ্গলবার কানাইপুরের মৃগী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে মোবাইল চুরির চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সাবিনা ইয়াসমিন জানান, দুপুর ১টার দিকে লাইব্রেরীতে এসে রাজিব পোদ্দার দৈনিক সরেজমিন পত্রিকার রিপোর্টার পরিচয় দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের উপবৃত্তির ফাইল এবং হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে আমি তাকে সব কাগজ পত্র দেখাই। এর কিছুক্ষন পরে আমি অল্প সময়ের জন্য লাইব্রেরীর বাইরে যাই এবং ফিরে এসে দেখি টেবিলে রাখা আমার মোবাইল ফোনটি নাই, তখন ঐ ছেলেটি বের হয়ে চলে যাচ্ছিল। পরে ওকে ডেকে লাইব্রেরীতে বসালে ও ফোনটি পায়ের কাছে ফেলে দেয়। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে এ ঘটনা জানালে তারা ও স্থানীয় জনতা উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক নামধারী ওই ব্যাক্তিকে গনধোলই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এঘটনা জানতে পেরে পশ্চিম গঙ্গাবর্দী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সৈয়দা জাকিয়া সুলতানা ওই সাংবাদিককে দেখতে এসে বলেন, গত ২৯ মার্চ এই লোকটি আমার বিদ্যালয়ে গিয়ে একই কায়দা খাতা পত্র দেখতে চায় দেখালে সে নাস্তার কথা বলে দুইশ টাকা চায় আমি আমার ব্যাগ থেকে টাকা এনে তাকে দেই। সে যাওয়ার পর টেবিলে রাখা মোবাইল ফোনটি আর পাইনি। #
ফরিদপুর, ৮ এপ্রিল, ২০১৫।
ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুরে ভুয়া সাংবাদিক আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনগন। দৈনিক সরেজমিন পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয়দানকারীর রাজিব পোদ্দার(২৪) গত মঙ্গলবার কানাইপুরের মৃগী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে মোবাইল চুরির চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সাবিনা ইয়াসমিন জানান, দুপুর ১টার দিকে লাইব্রেরীতে এসে রাজিব পোদ্দার দৈনিক সরেজমিন পত্রিকার রিপোর্টার পরিচয় দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের উপবৃত্তির ফাইল এবং হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে আমি তাকে সব কাগজ পত্র দেখাই। এর কিছুক্ষন পরে আমি অল্প সময়ের জন্য লাইব্রেরীর বাইরে যাই এবং ফিরে এসে দেখি টেবিলে রাখা আমার মোবাইল ফোনটি নাই, তখন ঐ ছেলেটি বের হয়ে চলে যাচ্ছিল। পরে ওকে ডেকে লাইব্রেরীতে বসালে ও ফোনটি পায়ের কাছে ফেলে দেয়। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে এ ঘটনা জানালে তারা ও স্থানীয় জনতা উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক নামধারী ওই ব্যাক্তিকে গনধোলই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এঘটনা জানতে পেরে পশ্চিম গঙ্গাবর্দী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সৈয়দা জাকিয়া সুলতানা ওই সাংবাদিককে দেখতে এসে বলেন, গত ২৯ মার্চ এই লোকটি আমার বিদ্যালয়ে গিয়ে একই কায়দা খাতা পত্র দেখতে চায় দেখালে সে নাস্তার কথা বলে দুইশ টাকা চায় আমি আমার ব্যাগ থেকে টাকা এনে তাকে দেই। সে যাওয়ার পর টেবিলে রাখা মোবাইল ফোনটি আর পাইনি। #
ফরিদপুর, ৮ এপ্রিল, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment