নিউজটুডেফরিদপুরঃ
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মিয়ারগট্টি গ্রাম এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়ি-ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৮ রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওয়াদুদ মাতুব্বরের সঙ্গে গট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরু মাতুব্বরের এলাকার আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘ ধরে বিরোধ চলছে। এরই জের ধরে শনিবার সকালে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের গট্টি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মিয়ারগট্টি গ্রাম এলাকায় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় উভয় পক্ষ ঢাল-সড়কি, রামদা, ইট-পাটকেলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ৩ ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়া, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়েছে। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় উভয় গ্রুপের কয়েকটি বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ১৮ রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ওয়াদুদ মাতুব্বর বলেন, এলাকার শান্তি-শৃংখলা নষ্ট করতে ইচ্ছে করেই পরিকল্পিতভাবে আমার লোকদের ওপর নুরু মাতুব্বর ও তার সর্মথকেরা হামলা চালায় এবং বাড়ি-ঘর ভাংচুর করে।
এ ব্যাপারে নুরু মাতুব্বর বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার সমর্থকদের সঙ্গে ওয়াদুদ মাতুব্বরের সর্মথকদের সংঘর্ষ হয়।
সালথা থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৮ রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে। এখন এলাকা শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। #


No comments:
Post a Comment