নিউজটুডেফরিদপুরঃ
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত কয়েকদিনে আউটডোর ও ইনডোর মিলে শতাধীক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে হাসপাতাল সূত্রে। এদিকে হাসপাতালে শয্যা সংকট থাকায় বিপাকে পড়েছেন কর্তৃপক্ষও।
ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিলে ২/৩ সময় লাগে। অনেকেই শয্যা না থাকা ও হাসপাতালের পরিবেশগত কারনে আউটডোরে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় চলে যাচ্ছেন অথবা জেলা শহরের হাসপাতালে যাচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালের অবকাঠামোগত সংস্কার কাজ চলছে। পুরুষদের জন্য একটি ওয়ার্ড ও মহিলাদের জন্য একটি ওয়ার্ড চালু রেখে সব কটি ওয়ার্ডই বন্ধ রয়েছে। প্রতিদিন যে পরিমান রোগী আসছে তাতে এই শয্যায় কিছুই হচ্ছেনা। তাই বেশীর ভাগ রোগীকে পাশ্ববর্তী উপজেলায় কিংবা জেলা সদরের হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
ভর্তি থাকা রোগী রেহানা পারভীন জানান, আমি এখানে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি, হাসপাতালে তেমন ভালো পরিবেশ নেই। গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে।
মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালের সংস্কার চলছে বিধায় একটু সমস্যা হলেও চিকিৎসা নিচ্ছি। ডাক্তাররা খোজখবর নিচ্ছেন ঠিকমত।
সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা(আরএমও) ডা. মো. ফয়সাল হোসেন জানান, প্রচন্ড গরমের কারনেই ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশু ও বষষ্করা বেশী আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানান তিনি। জ্বর, বমি ও পাতলা পায়খানা নিয়েই এসব রোগী আসছেন।
এসময় তিনি বলেন, হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ চলছে। তাই রোগীদের কিছু সমস্যা হচ্ছে। কাজ শেষে হলে রোগীদের আসনের কোন সমস্যা হবে না। তিনি আরো বলেন, এমনিতে এই হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর জন্য কোন ওয়ার্ড নেই, অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলে ডায়রিয়ার জন্য আলাদা ওয়ার্ড চালু করা হবে। #
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত কয়েকদিনে আউটডোর ও ইনডোর মিলে শতাধীক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে হাসপাতাল সূত্রে। এদিকে হাসপাতালে শয্যা সংকট থাকায় বিপাকে পড়েছেন কর্তৃপক্ষও।
ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিলে ২/৩ সময় লাগে। অনেকেই শয্যা না থাকা ও হাসপাতালের পরিবেশগত কারনে আউটডোরে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় চলে যাচ্ছেন অথবা জেলা শহরের হাসপাতালে যাচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালের অবকাঠামোগত সংস্কার কাজ চলছে। পুরুষদের জন্য একটি ওয়ার্ড ও মহিলাদের জন্য একটি ওয়ার্ড চালু রেখে সব কটি ওয়ার্ডই বন্ধ রয়েছে। প্রতিদিন যে পরিমান রোগী আসছে তাতে এই শয্যায় কিছুই হচ্ছেনা। তাই বেশীর ভাগ রোগীকে পাশ্ববর্তী উপজেলায় কিংবা জেলা সদরের হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
ভর্তি থাকা রোগী রেহানা পারভীন জানান, আমি এখানে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি, হাসপাতালে তেমন ভালো পরিবেশ নেই। গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে।
মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালের সংস্কার চলছে বিধায় একটু সমস্যা হলেও চিকিৎসা নিচ্ছি। ডাক্তাররা খোজখবর নিচ্ছেন ঠিকমত।
সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা(আরএমও) ডা. মো. ফয়সাল হোসেন জানান, প্রচন্ড গরমের কারনেই ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশু ও বষষ্করা বেশী আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানান তিনি। জ্বর, বমি ও পাতলা পায়খানা নিয়েই এসব রোগী আসছেন।
এসময় তিনি বলেন, হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ চলছে। তাই রোগীদের কিছু সমস্যা হচ্ছে। কাজ শেষে হলে রোগীদের আসনের কোন সমস্যা হবে না। তিনি আরো বলেন, এমনিতে এই হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর জন্য কোন ওয়ার্ড নেই, অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলে ডায়রিয়ার জন্য আলাদা ওয়ার্ড চালু করা হবে। #

No comments:
Post a Comment