সরকারী বিধি মোতাবেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী সহ মোট পাঁচটি পদ থাকলেও একজন দিয়েই চলছে মৎস দপ্তরের কাজ। চারটি পদই শূন্য রয়ে গেছে দীর্ঘদিন ধরে, তাই স্থবির হয়ে গেছে এই অফিসের প্রায় সকল কার্যক্রম। ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার মৎস কর্মকর্তা মালিক তানভীর হোসেন এমন তথ্যটিই জানান।
মৎস কর্মকর্তা বলেন আমি সহ একজন সহকারী মৎস কর্মকর্তা, একজন অফিস সহকারী, একজন ক্ষেত্র সহকারী ও একজন অফিস সহায়ক থাকার কথা থাকলেও এখন কেউ নেই। বাকী চারজনের কাজ আমাকেই করতে হচ্ছে। কোন কাজই সঠিক ভাবে করতে পারছি না। ফলে ২০১৭/১৮ অর্থ বছরের বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি(এপিএ)-র লক্ষমাত্রা অর্জন দূরহ হয়ে যাবে। বিষয়টি আমি গত ২ জুলাই ২০১৭ লিখিত ভাবে আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
ফরিদপুর সদরের সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দি বলেন, “চরভদ্রসন উপজেলা মৎস অফিসের শূন্য পদে লোক পদস্থ করার অনুরোধ জানিয়ে পুনরায় মৎস অধিদপ্তরে জানানো হবে।”
জানা গেছে, দীর্ঘ প্রায় পাচঁ বছর ধরে কোন অফিস সহায়ক নেই, ২০১৭ এর ৩১ জুলাই অফিস সহকারী অবসরে গেলে তার স্থলে নতুন কেউ যোগদান করে নাই। ক্ষেত্র সহকারী নেই বিগত তিন বছর ধরে। মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের সময় একজন সহকারী মৎস কর্মকর্তা যোগদান করলেও গত পহেলা ফেব্রুয়ারী বদলি জনিত কারণে তিনিও চলে যান।
ব্যাবসায়ী মোতালেব হোসেন মোল্যা বলেন, চরভদ্রান উপজেলার পদ্মা নদীতে মৌসুম অনুযায়ী প্রচুর ইলিশ ধরা পরে। মৎস দপ্তরের দৃশ্যত কোন কার্যক্রম না থাকায় প্রচুর পরিমানে জাটকা ইলিশ নিধন করছে অবৈধ মৎস শিকারীরা।
জানা যায় লোকবল না থাকায় নদীতে কোন অভিযান পরিচালনা করা যায়নি। তবে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী চরহাজিগঞ্জ বাজারে মাত্র একবারই ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। #

No comments:
Post a Comment