নিউজটুডেফরিদপুরঃ
নেপালের ত্রিভুবন বিমান বন্দরে ইউএস বাংলা’র বিমান দূর্ঘটনায় নিহত ফরিদপুরের নগরকান্দার মাহমুদুর রহমান রিমনের চতুর্থ জানাযার নামাজ শেষে লস্করদিয়া গ্রামের বড় মাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া খন্দকার আতিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭ টায় মরদেহ বাহী এ্যাম্বুলেন্স তার নিজ বাড়ী উপজেলার লস্করদিয়ায় পৌছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারন হয়। রিমনের মায়ের আর্তনাদে ভাড়ি হয়ে উঠে পুরো এলাকা। ছেলের খবর জানার পর থেকেই বাক রুদ্র হয়ে আছেন অসুস্থ বাবা মশিউর রহমান। কোন কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না রিমনের মায়ের আর্তনাদ।
খবর পেয়ে এলাকার শতশত মানুষ ছুটে আসে শেষ বারের মতো রিমনের মরদেহ দেখার জন্য। স্বজনদের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন রিমনের বন্ধু-বান্ধবসহ শুভানুধ্যায়ীরা। এসময় রিমনের মায়ের আর্তনাদ দেখে আপ্লত হয়ে পরে উপস্থিত সকলেই।
শোকার্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, নগরকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহিনুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দোজা শুভ।
এসময় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে ৫০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
মাহমুদুর রহমান রিমন রানার গ্রুপের হেড অব সার্ভিস পদে চাকরী করতেন। ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্সের সেই বিমানে আরো দুই সহকর্মীরা সাথে তিনিও যাচ্ছিলেন অফিসের কাজে।
স্থানীয়রা জানালেন, বাবা মশিউর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর থেকে রিমনই ছিল এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি। ছোট ভাই মাত্র এইসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছে। তাই রিমনকে হারিয়ে পুরো অসহায় এখন পরিবারটি। #
নেপালের ত্রিভুবন বিমান বন্দরে ইউএস বাংলা’র বিমান দূর্ঘটনায় নিহত ফরিদপুরের নগরকান্দার মাহমুদুর রহমান রিমনের চতুর্থ জানাযার নামাজ শেষে লস্করদিয়া গ্রামের বড় মাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া খন্দকার আতিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭ টায় মরদেহ বাহী এ্যাম্বুলেন্স তার নিজ বাড়ী উপজেলার লস্করদিয়ায় পৌছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারন হয়। রিমনের মায়ের আর্তনাদে ভাড়ি হয়ে উঠে পুরো এলাকা। ছেলের খবর জানার পর থেকেই বাক রুদ্র হয়ে আছেন অসুস্থ বাবা মশিউর রহমান। কোন কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না রিমনের মায়ের আর্তনাদ।
খবর পেয়ে এলাকার শতশত মানুষ ছুটে আসে শেষ বারের মতো রিমনের মরদেহ দেখার জন্য। স্বজনদের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন রিমনের বন্ধু-বান্ধবসহ শুভানুধ্যায়ীরা। এসময় রিমনের মায়ের আর্তনাদ দেখে আপ্লত হয়ে পরে উপস্থিত সকলেই।
শোকার্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, নগরকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহিনুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দোজা শুভ।
এসময় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে ৫০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
মাহমুদুর রহমান রিমন রানার গ্রুপের হেড অব সার্ভিস পদে চাকরী করতেন। ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্সের সেই বিমানে আরো দুই সহকর্মীরা সাথে তিনিও যাচ্ছিলেন অফিসের কাজে।
স্থানীয়রা জানালেন, বাবা মশিউর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর থেকে রিমনই ছিল এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি। ছোট ভাই মাত্র এইসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছে। তাই রিমনকে হারিয়ে পুরো অসহায় এখন পরিবারটি। #

No comments:
Post a Comment