নুরুল ইসলাম, সালথা প্রতিনিধি ঃ অবৈধ যান নসিমন, করিমন, ভটভটি ও মাহিন্দ্র এর দাপটে ফরিদপুর-সালথা আঞ্চলিক সড়কে মিনিবাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। মিনিবাস মালিক সমিতি সুত্রে জানা গেছে, গত ৬ মাস যাবত এই রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাস চলাচল বন্ধ করা হয়নি। মূলত অবৈধ যানবাহন অবাধ চলাচলের ফলে যাত্রী কম হওয়ায় বাস-মালিক গ্রুপ এ রুটে বাস ছাড়ছেন না। এর আগে ফরিদপুর শহর থেকে সালথা উপজেলার মধ্যে দিয়ে ময়েনদিয়া বাজার পর্যন্ত নিয়মিত বাস চলাচল করতো।
সরেজমিনে এলকা ঘুড়ে দেখা গেছে, ফরিদপুর সালথা আঞ্চলিক সড়কসহ আশে পাশের সড়ক গুলোতে নসিমন, করিমন ও ভটভটি নামের শ্যালো ইঞ্জিন চালিত এইসব যানবাহন নিয়মিত চলছে। এই যান গুলোর নেই কোন রুট পারমিট, নেই বৈধতার কোন সার্টিফিকেট। তবে রয়েছে ঝুকি। ভারসাম্যহীন এই সব যান যারা চালান ট্রাফিক আইন সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান তাদের না থাকার পরেও তারা এই যান গুলো নিয়ে সড়ক মহাসড়কে চলে আসছেন।
এদিকে ঝুকি জেনেও সাধারণ যাত্রীরা এই সব যান গুলো চড়ে বসছেন। স্বল্প পাল্লার দুরুত্ব ও বাস চলাচলে দীর্ঘ সময় ক্ষেপন ও ভাড়া কম হওয়ার কারনেই যাত্রীরা এই যান ব্যবহার করেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে এসব গাড়ির কোন ব্রেক না থাকায় প্রতিনিয়ত ছোট বড় দৃর্ঘটনা ঘটে চলছে। খোজ নিয়ে জানা গেছে শুধু মাত্র এই উপজেলার শ্বশানঘাট, নটখোলা, পুরুরা ও সোনাপুর সহ বিভিন্ন যায়গায় নছিমন দুর্ঘটনায় দশ জনেরও বেশী মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বাস মালিক, শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের আশা, সড়ক মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমানো ও রাস্তায় মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে দ্রুতই সরকার অবৈধ এই যানবাহনগুলো নিয়ন্ত্রনে কার্যকর ভুমিকা নিবে।
ফরিদপুর, ১৯ ফেব্রুয়ারী।
সরেজমিনে এলকা ঘুড়ে দেখা গেছে, ফরিদপুর সালথা আঞ্চলিক সড়কসহ আশে পাশের সড়ক গুলোতে নসিমন, করিমন ও ভটভটি নামের শ্যালো ইঞ্জিন চালিত এইসব যানবাহন নিয়মিত চলছে। এই যান গুলোর নেই কোন রুট পারমিট, নেই বৈধতার কোন সার্টিফিকেট। তবে রয়েছে ঝুকি। ভারসাম্যহীন এই সব যান যারা চালান ট্রাফিক আইন সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান তাদের না থাকার পরেও তারা এই যান গুলো নিয়ে সড়ক মহাসড়কে চলে আসছেন।
এদিকে ঝুকি জেনেও সাধারণ যাত্রীরা এই সব যান গুলো চড়ে বসছেন। স্বল্প পাল্লার দুরুত্ব ও বাস চলাচলে দীর্ঘ সময় ক্ষেপন ও ভাড়া কম হওয়ার কারনেই যাত্রীরা এই যান ব্যবহার করেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে এসব গাড়ির কোন ব্রেক না থাকায় প্রতিনিয়ত ছোট বড় দৃর্ঘটনা ঘটে চলছে। খোজ নিয়ে জানা গেছে শুধু মাত্র এই উপজেলার শ্বশানঘাট, নটখোলা, পুরুরা ও সোনাপুর সহ বিভিন্ন যায়গায় নছিমন দুর্ঘটনায় দশ জনেরও বেশী মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বাস মালিক, শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের আশা, সড়ক মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমানো ও রাস্তায় মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে দ্রুতই সরকার অবৈধ এই যানবাহনগুলো নিয়ন্ত্রনে কার্যকর ভুমিকা নিবে।
ফরিদপুর, ১৯ ফেব্রুয়ারী।
.jpg)
No comments:
Post a Comment