নিউজ টুডে ঃ
গত রবিবার পাটুরিয়ার পদ্মা নদীতে কার্গোর ধাক্কায় এমভি মোস্তফা-৩ লঞ্চডুবির ঘটনায় আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত ফরিদপুরের ১৪ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের বাড়িতে চলেছে শোকের মাতম।
নিহতদের মধ্যে ফরিদপুরের বিআরটিএ’র সহকারি পরিচালক ফজলুর রহমানের লাশ পাটুরিয়া থেকে তাঁর দেশের বাড়ি পাবনা জেলার ভারাড়া ইউনিয়নের কোলাদী গ্রামের কবরস্থানে সোমবার দাফন করা হয়েছে। নিহত অন্যরা হলেন,ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের ফুসরা গ্রামের স্বপন সরকার(৫৫),কৃষ্ণনগরের রতন সরকার(৫০),তাঁর ছেলে আপন সরকার(৫) এবং ভায়রার ছেলে বাঁধন সরকার(৬),ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের পিঠাকুমড়া গ্রামের নারগিস(১১)ও তাঁর নানি মমতাজ(৫৭),সালথার আটঘর ইউনিয়নের ভটরকান্দি গ্রামের বৈদ্যনাথ সরকার(৬৫),তাঁর স্ত্রী অনিমা সরকার(৫৫),চম্পা রানী সরকার(৬২) ও অর্চনা রানী সরকার(৪২)এবং বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের ধর্মহাটি গ্রামের মুরাদের স্ত্রী শারমিন আক্তার(৩০),ভাই ইনামুল(২৬) এবং তাঁর মেয়ে মারজানা সুলতানা(৭)।
কৈজুরী ইউনিয়নের ফুসরা গ্রামের স্বপন সরকারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় স্বজনদের আহাজারিতে সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।দুপুর ১২টার দিকে তাঁর লাশ বাড়িতে আনা হয়।স্বজনরা জানান,গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি মানিকগঞ্জ জেলার ঝিটকা গ্রামের তাঁর গুরুদেব কুমুদ গোস্বামীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।সেখান থেকে রবিবার ফেরার পথে সে লঞ্চডুবির শিকার হয়ে মারা যায়।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. আব্দুর রশীদ জানান,নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ হাজার করে টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।
#
ফরিদপুর, ২৩ ফেব্রুয়ারী।
গত রবিবার পাটুরিয়ার পদ্মা নদীতে কার্গোর ধাক্কায় এমভি মোস্তফা-৩ লঞ্চডুবির ঘটনায় আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত ফরিদপুরের ১৪ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের বাড়িতে চলেছে শোকের মাতম।
নিহতদের মধ্যে ফরিদপুরের বিআরটিএ’র সহকারি পরিচালক ফজলুর রহমানের লাশ পাটুরিয়া থেকে তাঁর দেশের বাড়ি পাবনা জেলার ভারাড়া ইউনিয়নের কোলাদী গ্রামের কবরস্থানে সোমবার দাফন করা হয়েছে। নিহত অন্যরা হলেন,ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের ফুসরা গ্রামের স্বপন সরকার(৫৫),কৃষ্ণনগরের রতন সরকার(৫০),তাঁর ছেলে আপন সরকার(৫) এবং ভায়রার ছেলে বাঁধন সরকার(৬),ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের পিঠাকুমড়া গ্রামের নারগিস(১১)ও তাঁর নানি মমতাজ(৫৭),সালথার আটঘর ইউনিয়নের ভটরকান্দি গ্রামের বৈদ্যনাথ সরকার(৬৫),তাঁর স্ত্রী অনিমা সরকার(৫৫),চম্পা রানী সরকার(৬২) ও অর্চনা রানী সরকার(৪২)এবং বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের ধর্মহাটি গ্রামের মুরাদের স্ত্রী শারমিন আক্তার(৩০),ভাই ইনামুল(২৬) এবং তাঁর মেয়ে মারজানা সুলতানা(৭)।
কৈজুরী ইউনিয়নের ফুসরা গ্রামের স্বপন সরকারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় স্বজনদের আহাজারিতে সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।দুপুর ১২টার দিকে তাঁর লাশ বাড়িতে আনা হয়।স্বজনরা জানান,গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি মানিকগঞ্জ জেলার ঝিটকা গ্রামের তাঁর গুরুদেব কুমুদ গোস্বামীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।সেখান থেকে রবিবার ফেরার পথে সে লঞ্চডুবির শিকার হয়ে মারা যায়।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. আব্দুর রশীদ জানান,নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ হাজার করে টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।
#
ফরিদপুর, ২৩ ফেব্রুয়ারী।
.jpg)
No comments:
Post a Comment