মো. রমযান শিকদার ঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিম নগর ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামে পুলিশের তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে পানিতে ডুবে আসাদুল হাওলাদার নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আসাদুলের বয়ষ ২৫ বছর, সে ওই গ্রামের ইসমাইল হাওলাদারের ছেলে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে বিক্ষুব্দ এলাকাবাসী ঢাকা খুলনা মহাসড়কের পুলিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, শনিবার সকালে এসআই মুকুল ও এসআই রাসেলের নেতৃত্বাধীন একদল পুলিশ মিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আছাদুল হাওলাদার ও মোঃ জহুরুল নামের দুই যুবককে আটক করে। পরে তারা আটককৃতদের নিকট মোটা অঙ্কের অর্থ দাবী করে। এ নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় পুলিশ আটককৃতদের উপর নির্যাতন করে। একপর্যায়ে আছাদুল পালানোর চেষ্টা করলে পুকুরে পরে যায়। পরে এলাকাবাসী পুকুর থেকে আসাদুলের লাশ উদ্ধার করে। এঘটনার পর গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়ে পরলে পুলিশ জহুরুলকে ছেড়ে দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পুরো ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কালামৃর্ধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসকেনদার খলিফা জানান, নিহত আসাদুল হাওলাদারের বিরুদ্ধে থানায় কোন জিডি বা মামলা নাই। ছেলেটি কৃষি কাজ করে। পুলিশ অহেতুক তাকে আটক করে নির্যাতন করেছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের বোন স্বপ্না জানায়, আমার সামনে আমার ভাইকে পিস্তলের শিকল(কোমড়ে আটকানোর জন্য পিস্তলের সাথে থাকা শিকল) গলায় প্যাচাইয়ে মাটিতে টানতে থাকে। পরে আমার ভাই মারা যায় ।
তবে এঘটনা অস্বিকার করে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইন চার্জ (তদন্ত) মো. হারুন বলেন, আমরা আসাদুলকে আটক করি নাই। আমরা শুধু মাত্র জহুরুলকে আটক করছিলাম,তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভাঙ্গা থানা অফিসার ইন চার্জ (অপারেশন) মোঃ নাজমুল ইসলাম জানান, আমার ২ জন অফিসার ঐ এলাকায় আসামী ধরতে অভিযান চালায়। আসাদুল হাওলাদরের মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ঘটনার পরেই ওই এলাকার মানুষ বিক্ষুব্দ হয়ে উঠে। তারা দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তি দাবী করে ঢাকা খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে। প্রায় ১ ঘন্টা অবরোধ থাকার পরে বিকেল ৫ টার দিকে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয় বসাকের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসীকে সরিয়ে দিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র। ###
ফরিদপুর, ২১ ফেব্রুয়ারী।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিম নগর ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামে পুলিশের তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে পানিতে ডুবে আসাদুল হাওলাদার নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আসাদুলের বয়ষ ২৫ বছর, সে ওই গ্রামের ইসমাইল হাওলাদারের ছেলে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে বিক্ষুব্দ এলাকাবাসী ঢাকা খুলনা মহাসড়কের পুলিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, শনিবার সকালে এসআই মুকুল ও এসআই রাসেলের নেতৃত্বাধীন একদল পুলিশ মিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আছাদুল হাওলাদার ও মোঃ জহুরুল নামের দুই যুবককে আটক করে। পরে তারা আটককৃতদের নিকট মোটা অঙ্কের অর্থ দাবী করে। এ নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় পুলিশ আটককৃতদের উপর নির্যাতন করে। একপর্যায়ে আছাদুল পালানোর চেষ্টা করলে পুকুরে পরে যায়। পরে এলাকাবাসী পুকুর থেকে আসাদুলের লাশ উদ্ধার করে। এঘটনার পর গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়ে পরলে পুলিশ জহুরুলকে ছেড়ে দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পুরো ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কালামৃর্ধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসকেনদার খলিফা জানান, নিহত আসাদুল হাওলাদারের বিরুদ্ধে থানায় কোন জিডি বা মামলা নাই। ছেলেটি কৃষি কাজ করে। পুলিশ অহেতুক তাকে আটক করে নির্যাতন করেছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের বোন স্বপ্না জানায়, আমার সামনে আমার ভাইকে পিস্তলের শিকল(কোমড়ে আটকানোর জন্য পিস্তলের সাথে থাকা শিকল) গলায় প্যাচাইয়ে মাটিতে টানতে থাকে। পরে আমার ভাই মারা যায় ।
তবে এঘটনা অস্বিকার করে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইন চার্জ (তদন্ত) মো. হারুন বলেন, আমরা আসাদুলকে আটক করি নাই। আমরা শুধু মাত্র জহুরুলকে আটক করছিলাম,তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভাঙ্গা থানা অফিসার ইন চার্জ (অপারেশন) মোঃ নাজমুল ইসলাম জানান, আমার ২ জন অফিসার ঐ এলাকায় আসামী ধরতে অভিযান চালায়। আসাদুল হাওলাদরের মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ঘটনার পরেই ওই এলাকার মানুষ বিক্ষুব্দ হয়ে উঠে। তারা দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তি দাবী করে ঢাকা খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে। প্রায় ১ ঘন্টা অবরোধ থাকার পরে বিকেল ৫ টার দিকে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয় বসাকের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসীকে সরিয়ে দিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র। ###
ফরিদপুর, ২১ ফেব্রুয়ারী।

No comments:
Post a Comment