সালথা সংবাদদাতা
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আলোচিত সন্ত্রাসী ও কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর, মাদক ব্যবসায়ী হিমেল খাঁনের (২৮) বিচার দাবী করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। শনিবার বিকালে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মোড়হাট গ্রামে হিমেলের বাড়ির সামনে এ বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম মাতুব্বর, হারুন মাতুব্বর, সলেমান খাঁন ও রেজাউল খাঁন জানান, গত ১৮ ফেব্রুয়ারী (বুধবার) মোড়হাট গ্রামের মোশরফ খানের ছেলে উজ্জলের একটি টিভিএস মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায় হিমেল। চুরির ঘটনার পর ২৫ ফেব্রুয়ারী সকালে এলাকার একটি বাজার থেকে হিমেল আটক করে গণধোলাই দেয় স্থানীয়রা। এরপর স্থানীয় গন্যমান্যরা একটি সালিশে বসে। এসময় মোটরসাকেল চুরির বিষয়টি স্বীকার করে হিমেল। সালিশের কাছে মোটরসাইকেল ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নেয় হিমেলের বাবা মুঞ্জু খান। কিন্তু অদ্যবধি চুরি যাওয়া মোটর সাইকেলটি হিমেলের বাবা আর ফেরত দেয়নি। এ জন্য স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষীপ্ত হয়ে বিক্ষোভ করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত এলাকাবাসীকে শান্ত করে। এর আগে একই গ্রামের রব মাতুব্বারের ছেলে ও কলেজ ছাত্র বকুল মাতুব্বরকে পিটিয়ে পঙ্গু করে দেয় হিমেল ও তার সহযোগীরা।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, হিমেল খাঁন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যা, ছিনতাই, চুরির একাধিক মামলা রয়েছে জেলার বিভিন্ন থানায়। মটর সাইকেল চুরির প্রতিবাদ করায় ২০১০ সালে উপজেলার রঘুয়ারকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মজিবর মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে এই হিমেল ও তার সহযোগিরা। এই মামলারও অন্যতম আসামী হিমেল। ##
ফরিদপুর, ১৪ মার্চ, ২০১৫।
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আলোচিত সন্ত্রাসী ও কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর, মাদক ব্যবসায়ী হিমেল খাঁনের (২৮) বিচার দাবী করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। শনিবার বিকালে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মোড়হাট গ্রামে হিমেলের বাড়ির সামনে এ বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম মাতুব্বর, হারুন মাতুব্বর, সলেমান খাঁন ও রেজাউল খাঁন জানান, গত ১৮ ফেব্রুয়ারী (বুধবার) মোড়হাট গ্রামের মোশরফ খানের ছেলে উজ্জলের একটি টিভিএস মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায় হিমেল। চুরির ঘটনার পর ২৫ ফেব্রুয়ারী সকালে এলাকার একটি বাজার থেকে হিমেল আটক করে গণধোলাই দেয় স্থানীয়রা। এরপর স্থানীয় গন্যমান্যরা একটি সালিশে বসে। এসময় মোটরসাকেল চুরির বিষয়টি স্বীকার করে হিমেল। সালিশের কাছে মোটরসাইকেল ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নেয় হিমেলের বাবা মুঞ্জু খান। কিন্তু অদ্যবধি চুরি যাওয়া মোটর সাইকেলটি হিমেলের বাবা আর ফেরত দেয়নি। এ জন্য স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষীপ্ত হয়ে বিক্ষোভ করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত এলাকাবাসীকে শান্ত করে। এর আগে একই গ্রামের রব মাতুব্বারের ছেলে ও কলেজ ছাত্র বকুল মাতুব্বরকে পিটিয়ে পঙ্গু করে দেয় হিমেল ও তার সহযোগীরা।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, হিমেল খাঁন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যা, ছিনতাই, চুরির একাধিক মামলা রয়েছে জেলার বিভিন্ন থানায়। মটর সাইকেল চুরির প্রতিবাদ করায় ২০১০ সালে উপজেলার রঘুয়ারকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মজিবর মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে এই হিমেল ও তার সহযোগিরা। এই মামলারও অন্যতম আসামী হিমেল। ##
ফরিদপুর, ১৪ মার্চ, ২০১৫।
No comments:
Post a Comment