নিউজ টুডে ফরিদপুর, ২৬ এপ্রিল
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর অপসারিত এপিএস ও ছাত্রলীগ নেতা সত্যজিৎ মুখার্জির বিরুদ্ধে আরো একটি চাদাবাজির মামলা হয়েছে। ১০ লাখ টাকা চাঁদা নেয়ার অভিযোগে মামলাটি করেছেন টেকনোমিডিয়া লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক যশোদা জীবন দেব নাথ (সিআইপি)। রবিবার দুপুরে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলাটি করেন তিনি । তার বাড়ী ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চানপুর এলাকায়।
মামলায় অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, সত্যজিৎ মুখার্জি হুমকি-ধমকি দিয়ে দুই দফায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেন। মামলার বলা হয়, গত ৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে দশটার দিকে সত্যজিৎ মুখার্জি নিজে পল্টনে টেকনোমিডিয়া লিমিটেডের কার্যালয়ে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। অন্যথায় তাকে ঢাকায় ব্যবসা করতে দেয়া হবে না বলেও হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী যশোদা জীবন সত্যজিৎকে নগদ সাত লাখ টাকা দিতে বাধ্য হন। টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি ওই ব্যবসায়ীকে শাসিয়ে যান এবং পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে বাকি তিন লাখ টাকা ব্যবস্থা করে রাখতে বলেন। গত ৮ জানুয়ারি পল্টনে ওই ব্যবসায়ীর কার্যালয়ে গিয়ে বাকি তিন লাখ টাকা চাদা আদায় করেন। এ ঘটনায় তিনজন সাক্ষীর কথাও উল্লেখ রয়েছে মামলার এজহারে।
মামলার বাদি যশোদা জীবন দেবনাথ জানান, মামলার নম্বর ৩৮-২৬/০৪/২০১৫। ৪৪৮/৩৮৬ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। তিনি বলেন, আশা করছি শিগগির মামলাটির তদন্ত কাজ শুরু করবে পল্টন থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে সত্যজিৎ মুখার্জির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে (০১৭১১৫৮৬৭৪০) কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায় ।
উল্লেখ্য, দুর্নীতি ও অনিয়মের দালিলিক প্রমাণ পাওয়ার পর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) পদ থেকে সত্যজিৎ মুখার্জিকে অপসারণ করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এরপর ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকেও তাকে বহিষ্কার করার জন্য জেলা কমিটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সুপারিশ করেছে।
গত ১৯ এপ্রিল ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানায় সাড়ে সাত লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা করেন লক্ষিপুরের ঠিকাদার সালেহ আহমেদ। এর তিনদিন পর ফরিদপুরের মাচ্চর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতা সারোয়ার হোসেন সন্টু ২০ লাক্ষ টাকা চাদা আদায়ের অভিযোগে একই থানায় মামলা করেন। তিনি (সত্যজিৎ) বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
ফরিদপুর, ২৬ এপ্রিল, ২০১৫।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর অপসারিত এপিএস ও ছাত্রলীগ নেতা সত্যজিৎ মুখার্জির বিরুদ্ধে আরো একটি চাদাবাজির মামলা হয়েছে। ১০ লাখ টাকা চাঁদা নেয়ার অভিযোগে মামলাটি করেছেন টেকনোমিডিয়া লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক যশোদা জীবন দেব নাথ (সিআইপি)। রবিবার দুপুরে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলাটি করেন তিনি । তার বাড়ী ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চানপুর এলাকায়।
মামলায় অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, সত্যজিৎ মুখার্জি হুমকি-ধমকি দিয়ে দুই দফায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেন। মামলার বলা হয়, গত ৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে দশটার দিকে সত্যজিৎ মুখার্জি নিজে পল্টনে টেকনোমিডিয়া লিমিটেডের কার্যালয়ে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। অন্যথায় তাকে ঢাকায় ব্যবসা করতে দেয়া হবে না বলেও হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী যশোদা জীবন সত্যজিৎকে নগদ সাত লাখ টাকা দিতে বাধ্য হন। টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি ওই ব্যবসায়ীকে শাসিয়ে যান এবং পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে বাকি তিন লাখ টাকা ব্যবস্থা করে রাখতে বলেন। গত ৮ জানুয়ারি পল্টনে ওই ব্যবসায়ীর কার্যালয়ে গিয়ে বাকি তিন লাখ টাকা চাদা আদায় করেন। এ ঘটনায় তিনজন সাক্ষীর কথাও উল্লেখ রয়েছে মামলার এজহারে।
মামলার বাদি যশোদা জীবন দেবনাথ জানান, মামলার নম্বর ৩৮-২৬/০৪/২০১৫। ৪৪৮/৩৮৬ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। তিনি বলেন, আশা করছি শিগগির মামলাটির তদন্ত কাজ শুরু করবে পল্টন থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে সত্যজিৎ মুখার্জির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে (০১৭১১৫৮৬৭৪০) কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায় ।
উল্লেখ্য, দুর্নীতি ও অনিয়মের দালিলিক প্রমাণ পাওয়ার পর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) পদ থেকে সত্যজিৎ মুখার্জিকে অপসারণ করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এরপর ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকেও তাকে বহিষ্কার করার জন্য জেলা কমিটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সুপারিশ করেছে।
গত ১৯ এপ্রিল ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানায় সাড়ে সাত লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা করেন লক্ষিপুরের ঠিকাদার সালেহ আহমেদ। এর তিনদিন পর ফরিদপুরের মাচ্চর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতা সারোয়ার হোসেন সন্টু ২০ লাক্ষ টাকা চাদা আদায়ের অভিযোগে একই থানায় মামলা করেন। তিনি (সত্যজিৎ) বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
ফরিদপুর, ২৬ এপ্রিল, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment