নুরুল ইসলাম, সালথা প্রতিনিধি
ফরিদপুরের সালথায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকলেও আবাদ করা হচ্ছে কম। এবার উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে উফসী, স্থানীয় জাগলি ও রোবা কালী জাতের মাত্র ১৩শ’ ৭৬ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে। উপজেলা কৃষি অফিসার বিন-ইয়াবিন জানান, চলতি মৌসুমে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয় ২৩শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু কৃষি অফিসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম মাত্র ১৩শ’ ৭৩ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হচ্ছে। হেক্টর প্রতি সাড়ে ৭ টন থেকে ৮ টন ধান ফলন হতে পারে বলে ধারনা করা করা হচ্ছে।
উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের রঘুয়ারকান্দী গ্রামের ধান চাষী হারুন মিয়া বলেন, গতবারের চেয়ে এবার বোরো ধানের ফলন অনেক ভালে হলেও আবাদ করা হচ্ছে কম। এই উপজেলায় এক সময় বোরো ধানের ব্যাপক আবাদ করা হতো। বোরো ধানের উপর র্নিভরশীল ছিলেন এই এলাকার কৃষকেরা। বর্তমানে ক্রমেই বোরা ধান আবাদ থেকে সরে গিয়ে পিয়াঁজ আবাদের দিকে ঝুকছে তারা।
ফরিদপুর, ২৭ এপ্রিল, ২০১৫।
ফরিদপুরের সালথায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকলেও আবাদ করা হচ্ছে কম। এবার উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে উফসী, স্থানীয় জাগলি ও রোবা কালী জাতের মাত্র ১৩শ’ ৭৬ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে। উপজেলা কৃষি অফিসার বিন-ইয়াবিন জানান, চলতি মৌসুমে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয় ২৩শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু কৃষি অফিসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম মাত্র ১৩শ’ ৭৩ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হচ্ছে। হেক্টর প্রতি সাড়ে ৭ টন থেকে ৮ টন ধান ফলন হতে পারে বলে ধারনা করা করা হচ্ছে।
উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের রঘুয়ারকান্দী গ্রামের ধান চাষী হারুন মিয়া বলেন, গতবারের চেয়ে এবার বোরো ধানের ফলন অনেক ভালে হলেও আবাদ করা হচ্ছে কম। এই উপজেলায় এক সময় বোরো ধানের ব্যাপক আবাদ করা হতো। বোরো ধানের উপর র্নিভরশীল ছিলেন এই এলাকার কৃষকেরা। বর্তমানে ক্রমেই বোরা ধান আবাদ থেকে সরে গিয়ে পিয়াঁজ আবাদের দিকে ঝুকছে তারা।
ফরিদপুর, ২৭ এপ্রিল, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment