মো. রমজান সিকদার, ভাঙ্গা প্রতিনিধি
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারই সহকর্মীর স্ত্রীর গোসলের দৃশ্য মোবাইলে ধারন করায় সোমবার তাকে স্কুল কক্ষেই অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। সকাল হতেই শত শত শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি মিলে স্কুল মাঠে ও ফিডার সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। শিক্ষার্থীরা লম্পট প্রধান শিক্ষকের গ্রেফতার ও বরখাস্তর দাবীতে শ্লোগান দিতে থাকে। খবর পেয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও ভাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশের সহায়তা নিয়ে ৬ ঘন্টা পর বিকালে প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেসময় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সলেমান বিল্লা, উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা এস এম মোর্শেদ, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম সহ এলাকার গন্যমান্যদের নিয়ে জরুরী বৈঠক শেষে প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
জানা গেছে, প্রাচীনতম বিদ্যাপিট কালামৃধা গোবিন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ৪ বছর আগে প্রধান শিক্ষক হিসাবে আলমগীর মাতুব্বর যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই নারী লিপ্সু উক্ত শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে শিক্ষিকা সহ ছাত্রীদের যৌন হয়রানীর অভিযোগ উঠে। গত শনিবার দুপুরে স্কুল চলাকালে তারই সহকর্মী ইংরেজী শিক্ষক দেব কুমার দাসের স্ত্রীর গোসলের দৃশ্য মোবাইলে ধারন করে সে। সেসময় প্রধান শিক্ষককের নিকট থেকে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয় স্কুলের অন্য শিক্ষকরা। বিষয়টি নিয়ে দিনভর দেনদরবার হলেও সোমবার সকালে ফুঁসে ওঠে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি। সোমবার সকালে প্রধান শিক্ষক নিজ কক্ষে ঢোকার সময় তাকে গন ধোলাই দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েক জন তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় একটি কক্ষে আটকে রাখে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, তার নৈতিক চরিত্র নিয়ে অন্য শিক্ষকরা আমার কাছে ইতিপুর্বে অভিযোগ করেছিল। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বর্হিপ্রকাশ ঘটিয়েছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি। তবে তাকে জীবীত উদ্ধার করতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক শিক্ষক বলেণ, স্কুলের দুই শিক্ষিকার সাথে তার দৈহিক মিলনের ঘটনা ছেলে মেয়েদের কাছে অনেকটা খোলামেলা হয়ে গিয়েছিল। সে তার অপকর্ম করার জন্য স্কুলের ভেতরে একটি কক্ষে খাট পেতেছে। উক্ত বিষয়টি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি স্বীকার করেছেন। এব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক তার অপকর্মের কথা স্বীকার করে সকলের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।#
ফরিদপুর, ৪ মে, ২০১৫।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারই সহকর্মীর স্ত্রীর গোসলের দৃশ্য মোবাইলে ধারন করায় সোমবার তাকে স্কুল কক্ষেই অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। সকাল হতেই শত শত শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি মিলে স্কুল মাঠে ও ফিডার সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। শিক্ষার্থীরা লম্পট প্রধান শিক্ষকের গ্রেফতার ও বরখাস্তর দাবীতে শ্লোগান দিতে থাকে। খবর পেয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও ভাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশের সহায়তা নিয়ে ৬ ঘন্টা পর বিকালে প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেসময় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সলেমান বিল্লা, উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা এস এম মোর্শেদ, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম সহ এলাকার গন্যমান্যদের নিয়ে জরুরী বৈঠক শেষে প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
জানা গেছে, প্রাচীনতম বিদ্যাপিট কালামৃধা গোবিন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ৪ বছর আগে প্রধান শিক্ষক হিসাবে আলমগীর মাতুব্বর যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই নারী লিপ্সু উক্ত শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে শিক্ষিকা সহ ছাত্রীদের যৌন হয়রানীর অভিযোগ উঠে। গত শনিবার দুপুরে স্কুল চলাকালে তারই সহকর্মী ইংরেজী শিক্ষক দেব কুমার দাসের স্ত্রীর গোসলের দৃশ্য মোবাইলে ধারন করে সে। সেসময় প্রধান শিক্ষককের নিকট থেকে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয় স্কুলের অন্য শিক্ষকরা। বিষয়টি নিয়ে দিনভর দেনদরবার হলেও সোমবার সকালে ফুঁসে ওঠে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি। সোমবার সকালে প্রধান শিক্ষক নিজ কক্ষে ঢোকার সময় তাকে গন ধোলাই দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েক জন তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় একটি কক্ষে আটকে রাখে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, তার নৈতিক চরিত্র নিয়ে অন্য শিক্ষকরা আমার কাছে ইতিপুর্বে অভিযোগ করেছিল। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বর্হিপ্রকাশ ঘটিয়েছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি। তবে তাকে জীবীত উদ্ধার করতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক শিক্ষক বলেণ, স্কুলের দুই শিক্ষিকার সাথে তার দৈহিক মিলনের ঘটনা ছেলে মেয়েদের কাছে অনেকটা খোলামেলা হয়ে গিয়েছিল। সে তার অপকর্ম করার জন্য স্কুলের ভেতরে একটি কক্ষে খাট পেতেছে। উক্ত বিষয়টি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি স্বীকার করেছেন। এব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক তার অপকর্মের কথা স্বীকার করে সকলের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।#
ফরিদপুর, ৪ মে, ২০১৫।
.jpg)
No comments:
Post a Comment