নুরুল ইসলাম, সালথা প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসৃজন ২য় পর্যায় প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ইউনিয়নে মোট ৮টি প্রকল্পে ২০২ জন শ্রমিক বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ করছেন মাত্র ১২৫ জন শ্রমিক।
গতকাল সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ইউনিয়নের চান্দাখোলা পাকা রাস্তা হতে খন্দকার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে বরাদ্দকৃত ২৫ জন শ্রমিকের মধ্যে কাজ করছেন ১৪ জন শ্রমিক, রায়েরচর ইয়াকুব সিকদারের বাড়ি হতে ছালাম মাতুব্বরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ১১ জন, চরবাংরাইল পাচু মোল্যার বাড়ি হতে মান্দার মোল্যার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ১৩ জন, সোনাপুর বাজার পাকা রাস্তা হতে ইউনুস মোল্যার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৭ জনের মধ্যে কাজ করছেন ২৩ জন, রংরায়েরকান্দী মোহাম্মাদ সিকদারের বাড়ি হতে ছত্তার মুন্সীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ১৬ জন, ফুকরা বাদশা মুন্সীর বাড়ি হতে বাদশা খালাসীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ২০ জন, নটখোলা হাবিব কাজীর বাড়ি হতে জাহাঙ্গীর মাতুব্বরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ২১ জন ও চাদপুর ঈদগাহ হতে নটখোলা পাকা রাস্তা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জন শ্রমিকের মধ্যে কাজ করছেন মাত্র ৭ জন।
জানা গেছে, বরাদ্দকৃত ২০২ জনের শ্রমিকের মধ্যে মাত্র ১২৫ জন শ্রমিক কাজ করলেও সব শ্রমিকের বিল উত্তোলনের জন্য চেষ্টা করছেন প্রকল্পের পিআইসিরা। যে-কারনে বিভিন্ন নামে ভুয়া মাস্টারোল তৈরি করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরে জমা দিচ্ছেন।
কর্মসুচির কাজে অনিয়মের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাফর মোল্যা বলেন, কর্মসুচির কাজে অনিয়মের বিষয়টি আমার জানা নেই। একই ধরনের কথা বলেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লিয়াকত হোসেন।
এবিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বাস রাসেল হোসেন বলেন, যে কয়জন শ্রমিক কাজ করবে ঠিক সেই কয়জন শ্রমিকের বিল দেয়া হবে। #
নিউজ টুডে ফরিদপুর, ১৮ মে, ২০১৫।
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসৃজন ২য় পর্যায় প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ইউনিয়নে মোট ৮টি প্রকল্পে ২০২ জন শ্রমিক বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ করছেন মাত্র ১২৫ জন শ্রমিক।
গতকাল সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ইউনিয়নের চান্দাখোলা পাকা রাস্তা হতে খন্দকার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে বরাদ্দকৃত ২৫ জন শ্রমিকের মধ্যে কাজ করছেন ১৪ জন শ্রমিক, রায়েরচর ইয়াকুব সিকদারের বাড়ি হতে ছালাম মাতুব্বরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ১১ জন, চরবাংরাইল পাচু মোল্যার বাড়ি হতে মান্দার মোল্যার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ১৩ জন, সোনাপুর বাজার পাকা রাস্তা হতে ইউনুস মোল্যার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৭ জনের মধ্যে কাজ করছেন ২৩ জন, রংরায়েরকান্দী মোহাম্মাদ সিকদারের বাড়ি হতে ছত্তার মুন্সীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ১৬ জন, ফুকরা বাদশা মুন্সীর বাড়ি হতে বাদশা খালাসীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ২০ জন, নটখোলা হাবিব কাজীর বাড়ি হতে জাহাঙ্গীর মাতুব্বরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জনের মধ্যে কাজ করছেন ২১ জন ও চাদপুর ঈদগাহ হতে নটখোলা পাকা রাস্তা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ২৫ জন শ্রমিকের মধ্যে কাজ করছেন মাত্র ৭ জন।
জানা গেছে, বরাদ্দকৃত ২০২ জনের শ্রমিকের মধ্যে মাত্র ১২৫ জন শ্রমিক কাজ করলেও সব শ্রমিকের বিল উত্তোলনের জন্য চেষ্টা করছেন প্রকল্পের পিআইসিরা। যে-কারনে বিভিন্ন নামে ভুয়া মাস্টারোল তৈরি করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরে জমা দিচ্ছেন।
কর্মসুচির কাজে অনিয়মের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাফর মোল্যা বলেন, কর্মসুচির কাজে অনিয়মের বিষয়টি আমার জানা নেই। একই ধরনের কথা বলেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লিয়াকত হোসেন।
এবিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বাস রাসেল হোসেন বলেন, যে কয়জন শ্রমিক কাজ করবে ঠিক সেই কয়জন শ্রমিকের বিল দেয়া হবে। #
নিউজ টুডে ফরিদপুর, ১৮ মে, ২০১৫।

No comments:
Post a Comment