চরভদ্রাসন প্রতিনিধিঃ
“ইভটিজিং বন্ধ কর, দোষীদের শাস্তি দাও” এই দাবী জানিয়ে বুধবার বেলা ১২টায় ফরিপুরের চরভদ্রাসনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছে উপজেলার আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, উপজেলার পার্শ্ববর্তী সদরপুর উপজেলার খাঁ ডাঙ্গীর বাসিন্দা মো. সিরাজের বখাটে ছেলে রাতিন(১৮) আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে প্রায়ই উত্তক্ত করত। বুধবার মেয়েটি স্কুলে আসার পথে ঐ বখাটে যুবক তার বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী রাস্তা থেকে মেয়েটিকে টেনে হিচড়ে জোরপূর্বক পাশের একটি বাড়ির পিছনে নেওয়ার চেষ্টা করে। ঘটনাটি মেয়েটির সহপাঠিরা দেখতে পেয়ে এগিয়ে যায়। সহপাঠিরা বখাটে যুবকের হাত থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে ঘটনাটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক কাজী আবু সেলিমকে জানানো হয়।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক এই প্রতিবেদকের নিকট ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এই ছেলেটির এর আগেও এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। তার বাবার কাছে বলেও কোন ফলাফল হয়নি। ছাত্রী উত্যাক্তর এই ঘটনা শুনে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ঐ বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী তারা দোষী যুবকের শাস্তির দাবীতে উপজেলা পরিষদের সামনে এসে বিক্ষোভ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা সিদ্দিকা দোষী যুবকের উপযুক্ত বিচার করার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন বন্ধ রেখে বাড়ি ফিরে যায়।
দোষী যুবকের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমুলক ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে মেয়েটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ছেলেটিকে ধরার জন্য ইতিমধ্যে কয়েক জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে এবং বখাটেকে গ্রেফতার করতে থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। #
“ইভটিজিং বন্ধ কর, দোষীদের শাস্তি দাও” এই দাবী জানিয়ে বুধবার বেলা ১২টায় ফরিপুরের চরভদ্রাসনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছে উপজেলার আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, উপজেলার পার্শ্ববর্তী সদরপুর উপজেলার খাঁ ডাঙ্গীর বাসিন্দা মো. সিরাজের বখাটে ছেলে রাতিন(১৮) আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে প্রায়ই উত্তক্ত করত। বুধবার মেয়েটি স্কুলে আসার পথে ঐ বখাটে যুবক তার বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী রাস্তা থেকে মেয়েটিকে টেনে হিচড়ে জোরপূর্বক পাশের একটি বাড়ির পিছনে নেওয়ার চেষ্টা করে। ঘটনাটি মেয়েটির সহপাঠিরা দেখতে পেয়ে এগিয়ে যায়। সহপাঠিরা বখাটে যুবকের হাত থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে ঘটনাটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক কাজী আবু সেলিমকে জানানো হয়।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক এই প্রতিবেদকের নিকট ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এই ছেলেটির এর আগেও এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। তার বাবার কাছে বলেও কোন ফলাফল হয়নি। ছাত্রী উত্যাক্তর এই ঘটনা শুনে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ঐ বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী তারা দোষী যুবকের শাস্তির দাবীতে উপজেলা পরিষদের সামনে এসে বিক্ষোভ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা সিদ্দিকা দোষী যুবকের উপযুক্ত বিচার করার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন বন্ধ রেখে বাড়ি ফিরে যায়।
দোষী যুবকের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমুলক ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে মেয়েটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ছেলেটিকে ধরার জন্য ইতিমধ্যে কয়েক জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে এবং বখাটেকে গ্রেফতার করতে থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। #

No comments:
Post a Comment