নিউজটুডেফরিদপুরঃ
ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার ৩৮টি কমিউনিটি ক্লিনিক এক মাসের অধিক সময় ধরে বন্ধ থাকায় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্টি। কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) ক্লিনিক বন্ধ রেখে চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেয়ার ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গ্রামাঞ্চলের হত-দরিদ্ররা।
জানা গেছে, নগরকান্দা উপজেলার ২২টি ও সালথা উপজেলার ১৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবা নেয় এলাকার নি¤œ আয়ের মানুষ। এসব ক্লিনিক থেকে ২৫ থেকে ৩০ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করায় অসহায় মানুষেরা সুফল পেয়ে আসছিল।
তবে গত ২০ জানুয়ারি থেকে চাকুরী জাতীয়করণের দাবিতে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা। ক্লিনিকগুলো বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে রোগীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন বাজারে গ্রাম্য ডাক্তারদের কাছে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহন করছেন। এতে করে হতদরিদ্ররা একদিকে অর্থ ব্যয় অন্যদিকে সময় অপচয় হচ্ছে, সাথে বাড়তি ভোগান্তিতো রয়েছেই।
ঠান্ডাজনিত রোগসহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকায় সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের হত-দরিদ্র পরিবারের শিশু ও বয়স্ক মানুষ। হাতের কাছে কমিউনিটি ক্লিনিক, বিনামূল্যে ওষুধ ও স্বাস্থ্য সেবা থাকতেও হতভাগা মানুষগুলো পাচ্ছে না কাক্সিক্ষত স্বাস্থ্য সেবা।
বাংলাদেশ সিএইচসিপি এ্যাসেসিয়েশন নগরকান্দা উপজেলা সভাপতি আকরাম হোসেন বলেন, আমাদের চাকুরী জাতীয়করণের জন্য আদালতের রায় হওয়া সত্বেও জাতীয়করণ করা হয়নি। আমাদের এ্যাসেসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মস্থলে যোগদান করবো না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (নগরকান্দা ও সালথা) ডা. মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা আন্দোলনে থাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সেবা অব্যাহত রাখতে এলাকায় কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার কল্যাণ সহকারীদের দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হচ্ছে।
তবে সরেজমিনে গিয়ে প্রত্যেকটি ক্লিনিকে তালা ঝুলতে দেখাগেছে। #
ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার ৩৮টি কমিউনিটি ক্লিনিক এক মাসের অধিক সময় ধরে বন্ধ থাকায় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্টি। কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) ক্লিনিক বন্ধ রেখে চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেয়ার ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গ্রামাঞ্চলের হত-দরিদ্ররা।
জানা গেছে, নগরকান্দা উপজেলার ২২টি ও সালথা উপজেলার ১৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবা নেয় এলাকার নি¤œ আয়ের মানুষ। এসব ক্লিনিক থেকে ২৫ থেকে ৩০ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করায় অসহায় মানুষেরা সুফল পেয়ে আসছিল।
তবে গত ২০ জানুয়ারি থেকে চাকুরী জাতীয়করণের দাবিতে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা। ক্লিনিকগুলো বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে রোগীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন বাজারে গ্রাম্য ডাক্তারদের কাছে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহন করছেন। এতে করে হতদরিদ্ররা একদিকে অর্থ ব্যয় অন্যদিকে সময় অপচয় হচ্ছে, সাথে বাড়তি ভোগান্তিতো রয়েছেই।
ঠান্ডাজনিত রোগসহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকায় সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের হত-দরিদ্র পরিবারের শিশু ও বয়স্ক মানুষ। হাতের কাছে কমিউনিটি ক্লিনিক, বিনামূল্যে ওষুধ ও স্বাস্থ্য সেবা থাকতেও হতভাগা মানুষগুলো পাচ্ছে না কাক্সিক্ষত স্বাস্থ্য সেবা।
বাংলাদেশ সিএইচসিপি এ্যাসেসিয়েশন নগরকান্দা উপজেলা সভাপতি আকরাম হোসেন বলেন, আমাদের চাকুরী জাতীয়করণের জন্য আদালতের রায় হওয়া সত্বেও জাতীয়করণ করা হয়নি। আমাদের এ্যাসেসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মস্থলে যোগদান করবো না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (নগরকান্দা ও সালথা) ডা. মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা আন্দোলনে থাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সেবা অব্যাহত রাখতে এলাকায় কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার কল্যাণ সহকারীদের দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হচ্ছে।
তবে সরেজমিনে গিয়ে প্রত্যেকটি ক্লিনিকে তালা ঝুলতে দেখাগেছে। #

No comments:
Post a Comment