নিউজটুডেফরিদপুরঃ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের হাজিগঞ্জ বাজারে মঙ্গলবার বিকেল ৩ টার দিকে ভয়াবহ অগ্নি কান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে আটটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় এক কোটি টাকা বলে ক্ষতিগ্রস্থরা দাবি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী মোস্তাক হোসেন বলেন “ আমার দোকান থেকে বাজারের মধ্যে যাওয়ার জন্য বের হয়ে দেখি লক্ষু দাস আগুন সহ পেট্রোল ভর্তি একটা ড্রাম রাস্তায় ফেলে। আমি লক্ষুর দোকানে থাকা আগুন নিভিয়ে ফেলি কিন্তু রাস্তার আগুন থেকে পুনরায়ায় দোকানে ছড়িয়ে থাকা পেট্রোলে আগুন লেগে যায়।”
জানা গেছে, গত বছর মার্চ মাসে বিপুল কুমার দাস(লক্ষুদাস) এর হার্ডওয়ারের দোকান থেকে পেট্রোল ও থিনারের ড্রামে আগুন লেগে বারটি দোকান ভস্মিভুত হয়। এ বছরও একই দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করতে থাকে। খবর পেয়ে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট পৌছে প্রায় ত্রিশ মিনিট চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।
ঘটনার পর বিমল কুমার লক্ষু দাস গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা যায়। আগুন লাগার সঠিক কারন জানা যায়নি। একাধিক ব্যবসায়ী আগুন ধরার বিষয়টি নিয়ে লক্ষুর কোন স্বার্থ জরিত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রাকাশ করেন। তারা ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।
অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ অন্যরা হলেন সাধন রায়, শাহীন খন্দকার, মুরাদ ভূঈয়া, আলী আকবর, শামীম মন্ডল, লোকমান হোসেন, শাহিন মোল্যা।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাউসার হেসেন বলেন একটি হার্ডওয়ার, দুটি মোবাইল সার্ভিসিং দোকান, একটি ঔষুধের দোকান, বরফ কল একটি, একটি জুতার দোকান ও একটি মটর পার্সের দোকান মিলে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিট্রেট মিজানুর রহমান, চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহি অফিসার কামরুন নাহার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাউসার হোসেন, গাজীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। #
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের হাজিগঞ্জ বাজারে মঙ্গলবার বিকেল ৩ টার দিকে ভয়াবহ অগ্নি কান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে আটটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় এক কোটি টাকা বলে ক্ষতিগ্রস্থরা দাবি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী মোস্তাক হোসেন বলেন “ আমার দোকান থেকে বাজারের মধ্যে যাওয়ার জন্য বের হয়ে দেখি লক্ষু দাস আগুন সহ পেট্রোল ভর্তি একটা ড্রাম রাস্তায় ফেলে। আমি লক্ষুর দোকানে থাকা আগুন নিভিয়ে ফেলি কিন্তু রাস্তার আগুন থেকে পুনরায়ায় দোকানে ছড়িয়ে থাকা পেট্রোলে আগুন লেগে যায়।”
জানা গেছে, গত বছর মার্চ মাসে বিপুল কুমার দাস(লক্ষুদাস) এর হার্ডওয়ারের দোকান থেকে পেট্রোল ও থিনারের ড্রামে আগুন লেগে বারটি দোকান ভস্মিভুত হয়। এ বছরও একই দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করতে থাকে। খবর পেয়ে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট পৌছে প্রায় ত্রিশ মিনিট চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।
ঘটনার পর বিমল কুমার লক্ষু দাস গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা যায়। আগুন লাগার সঠিক কারন জানা যায়নি। একাধিক ব্যবসায়ী আগুন ধরার বিষয়টি নিয়ে লক্ষুর কোন স্বার্থ জরিত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রাকাশ করেন। তারা ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।
অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ অন্যরা হলেন সাধন রায়, শাহীন খন্দকার, মুরাদ ভূঈয়া, আলী আকবর, শামীম মন্ডল, লোকমান হোসেন, শাহিন মোল্যা।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাউসার হেসেন বলেন একটি হার্ডওয়ার, দুটি মোবাইল সার্ভিসিং দোকান, একটি ঔষুধের দোকান, বরফ কল একটি, একটি জুতার দোকান ও একটি মটর পার্সের দোকান মিলে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিট্রেট মিজানুর রহমান, চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহি অফিসার কামরুন নাহার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাউসার হোসেন, গাজীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। #

No comments:
Post a Comment