সালথায় জামাই বাড়ি’র মালামাল লুট! - NEWS TODAY FARIDPUR

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Monday, March 26, 2018

সালথায় জামাই বাড়ি’র মালামাল লুট!



নিউজটুডেফরিদপুরঃ
ফরিদপুরের সালথায় জামাই বাড়ির মালামাল লুট করেছে শশুড় বাড়ির লোকজন। আর এই ঘটনায় পুলিশের সহায়তার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে সালথা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ফরিদপুর পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জামাই দেলোয়ার হোসেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, সালথা উপজেলার মাঠ সালথা গ্রামের ওয়াফি মোল্যার ছেলে দেলোয়ার হোসেন মোল্যার বসত ঘর থেকে নগদ টাকা, গরু, স্বর্নালংকারসহ যাবতীয় মালামাল জোর পূর্বক নিয়ে যায়। গত ২৩ মার্চ রাত আনুমানিক ১১ টায় শশুরবাড়ীর লোকজন জোর পূর্বক বসত ঘরে ঢুকে এই লুটপাট করে বলে অভিযোগ। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে লুটকারীদের সহযোগীতা করেন সালথা থানার এস আই মঈনুল এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী রিভা আক্তারের বাবার বাড়ীর লোকজন ও বিভিন্ন গ্রামের তার আত্মীয়রা রাত ১১ টার দিকে সালথা থানার পুলিশ সহ দেলেয়ারের বাড়ীতে প্রবেশ করে। এবং পুলিশের উপস্থিতিতে ঘরের মালামাল গাড়ীতে উঠাতে সহয়তা করে।

স্থানীয় কয়েকজন মুরব্বীরা বলেন দেলোয়ারের বাড়ীতে রাত ১১ টার সময় চিৎকার শুনে আমরা আগাতে গেলে পুলিশ আমাদেরকে বাধা দেয়। বাড়ীর ভিতর আমরা প্রবেশ করতে পারি নাই। এসময় তারা বলেন স্বামী- স্ত্রী এক সাথে বসবাস করা না করা তাদের ব্যাপার। কিন্তু  বাহিরের লোকজন ও থানা পুলিশ রাতের আধারে এসে স্থানীয়দের না জানিয়ে  ঘরের মালামাল লুটে নেয়া এটা নজিরবিহীন।

অভিযোগকারী দেলোয়ার বলেন, আমার স্ত্রী আমার সংসার যদি না করে, গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবগর্বকে জানলে তারা যে সিদ্ধান্ত দিত আমি সেটাই মেনে নিতাম । কিন্তু রাতের আধারে  বাহিরের লোকজন দিয়ে  আমার উপরে হামলা চালালে আমি প্রানের ভয়ে দৌড়ে পালাই। আমার ঘোয়াল ঘরের ৪ টি গরু যার আনুমানিক দাম তিনলক্ষ টাকা ও আমার ঘরে জমি বিক্রি করা নগদ তিন লক্ষ টাকাসহ যাবতীয় মালামাল নিয়ে যায়। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

দেলোয়ারের স্ত্রী রিভা বেগম ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ৩ বছর জর্দান ছিলাম। দেলোয়ারের বাড়ী থেকে যে সমস্ত মালামাল এনেছি তা আমার নিজের সম্পদ।

অভিযুক্ত সালথা থানার এস আই মঈনুল আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ফোর্স নিয়ে রাস্তায় টহলের দায়িত্বে ছিলাম। রাতে চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে যাই। জানতে পারি ঘটনাটা পারিবারিক , তাই আমরা ফিরে আসি। কিন্তু আমি এবং আমার র্ফোসের উপস্থিতির সময় কোন লুটপাট হয়নি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, এ ঘটনার সাথে পুলিশের কোন সম্পর্ক নাই। সংবাদ পেয়ে পরের দিন সকালে আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন অভিযোগকারী দেলোয়ারের স্ত্রী রিভা বেগম দ্বারা এই ঘটনা ঘটেছে এবং মালামাল হারানোর সত্যতা পাওয়া গেছে। #

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages